Pages

Search This Blog

Showing posts with label নোংরা জোকস. Show all posts
Showing posts with label নোংরা জোকস. Show all posts

নোংরা জোকস-১২


মক্ষীদিদি একদিন ঘরের বাইরের বারান্দায় বসে বিকট স্বরে বিলাপ করছিলেন শুনে পাশের বাসার বোতলদা জিজ্ঞেস করলো, "কিরে মক্ষী, কাঁদছিস কেন?কি হয়েছে?"
- "কী বলবো! গতকাল ডাকাত পড়েছিল আমার ঘরে,সমস্ত গয়না ডাকাতি করে নিয়ে গেছে!"
- "যাক বাবা! ইজ্জতটা তো বেঁচে গেছে!"
- "ওটা বেচেইতো গয়নাগুলো কিনেছিলাম!"

নোংরা জোকস-১১

যুবতী ছাতি মিস্ত্রির নিকট ভাঙ্গা ছাতি নিয়ে গেলো।
মিস্ত্রী: “উপরের কাপড় খুলতে হবে,আর নীচে ডান্ডা লাগাতে হবে।”
যুবতী: “যা ইচ্ছা করো,কিন্তু পানি যেন ভিতরে না পড়ে!”

নোংরা জোকস-১০


ডাক্তারঃ কনগ্রাচুলেশনস! আপনার মেয়ে হয়েছে....
শ্বাশুড়ীঃ এতো দিন পরে হলো তাও আবার মেয়ে?
বউঃ আপনার ছেলের আশায় থাকলে তাও হতো না!

নোংরা জোকস-৯


কেন বই পড়া বা পড়াশুনা করা সেক্স করা থেকে ভালো?

-তাড়াতাড়ি পড়া হয়ে গেলে লজ্জার কিছু নাই।
-আপনি একা একা পড়তে পারেন
-আপনি চাইলে আরেকজনকে সাথে নিয়ে পড়তে পারেন। আবার গ্রুপেও পড়তে পারেন। 
-কেউ আপনার রুচি নিয়ে প্রশ্ন করবে না।
-খোলা ময়দানে শুয়ে বসে যেভাবে ইচ্ছে পড়তে পারেন।
-পড়ার সময় হঠাত করে বাবা মা রুমে ঢুকে পড়লে কোন অসুবিধা নাই।
-আপনি ছেলে বা মেয়ের সাথে একত্রে পড়তে পারেন।
-পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়লে লজ্জার কিছু নাই।
-কয়েক ঘন্টা ধরে একটানা পড়তে পারবেন।
-আপনার বই সাইজে ছোট হলেও কোনো সমস্যা নাই।

নোংরা জোকস-৮


বোতল'দা সেক্স করতে পতিতালয়ে গিয়েছে। খুব সুন্দর একটি মেয়েকে বেছে নিয়ে রুমে নিয়ে গেলো। অনেক আদর-সোহাগ এর পর মেয়েটা টাকা চাইতেই বোতল'দা বললোঃ সেক্স করার সময় উভয়ই মজা পাই, তাহলে তুমি আমার কাছ থেকে পয়সা নেবে কেন?
পসারিনীর জবাব এলোঃ আউটগোয়িং এই চার্জ লাগে, ইনকামিং ফ্রি!

নোংরা জোকস-৭

বাজার করে আসার পথে জনের গাড়ি খারাপ হয়ে গেলো। সে গাড়ি থেকে নেমে এল। তার বাসা কাছেই। হেঁটে যেতে মিনিট দশেক লাগবে। সে আপাতত গাড়িটা ফেলে রেখে চলেই যেতে পারত। পরে মেকানিক নিয়ে এসে ঠিক করা যেত গাড়িটা। কিন্তু সমস্যা হল সাথে কিছু বাজার আছে। একটা বড় হাঁস, দুইটা মুরগি, একটা বালতি আর পাঁচ লিটারের সয়াবিন তেলের ক্যান।
এতগুলা জিনিস কিভাবে নেয়া যায় সে বুঝে উঠতে পারছে না।
রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে সে এটা নিয়ে ভাবছে, এমন সময় খুব সুন্দর এবং বছর চব্বিশের এক মেয়ে তাকে জিজ্ঞেস করল,
-আচ্ছা, ৬৯ নম্বর ফার্মটা কোনদিকে?
-৬৯? আমার বাসার পাশেই। হেটে যেতে বড়জোর দশমিনিট লাগবে। আমিই আপনাকে সাথে নিয়ে যেতাম কিন্তু একটা বড় হাঁস, দুইটা মুরগি, একটা বালতি আর পাঁচ লিটারের সয়াবিন তেলের ক্যান নিয়ে হাঁটতে পারছি না।
-এক কাজ করেন। পাঁচ লিটারের সয়াবিন তেলের ক্যানটা নেন বালতির ভিতর। মুরগি দুইটা নেন দুই বগলে আর হাঁসটা নেন আরেক হাতে।

বাহ! মেয়েটার বেশ বুদ্ধি আছে। পথে কথাবার্তায় মেয়ের নাম জানা হল জেনি। সে যাচ্ছে কাজিন রনের বাসায়। পথের এক জায়গায় জন বলল, এই রাস্তার পাশ দিয়ে একটা শর্টকাট আছে, এখান দিয়ে গেলে তাড়াতাড়ি হবে।
জেনি বলল, কিন্তু খুব নির্জন মনে হচ্ছে পথটা।
-তাতে কি?
-আপনি একজন যুবক। আমি একজন তরুনী। ধরেন, আপনি যদি নির্জনে আমার সাথে "excuse me, may I" শুরু করতে চান?
-হা হা হা! আমার একহাতে বালতি, যেটার ভিতর পাঁচ লিটারের সয়াবিন তেলের ক্যান, আরেক হাতে হাঁস। দুই বগলে দুইটা মুরগি। আমি কিভাবে আপনার সাথে জোর করে কিছু করতে পারি?
-ধরেন, আপনি বালতি থেকে তেলের ক্যানটা বের করে সেটা উল্টিয়ে হাঁসটা রাখলেন। হাঁসটা যেন না পালাতে পারে সেজন্য তেলের ক্যানটা বালতির ওপর রাখলেন। তাহলেই হল।
-ভুল করছেন। দুইটা মুরগি আছে যে, সেগুলার কি করব শুনি?
একটু হেসে জেনি বলল, মুরগি দুইটা না হয় আমিই ধরে রাখলাম!!!

নোংরা জোকস-৬

একশহরে দুই জমজ ভাই ছিল। রন আর জন। রন বিয়ে করেছিল জেনি নামের একটা মেয়েকে। কাকতালীয়ভাবে জনের জেনি নামে একটা ফিসিং বোট ছিল। আরো কাকতালীয়ভাবে রনের বউ জেনি যেদিন মারা যায় ঠিক সেইদিন জনের নৌকা জেনিও ডুবে যায়।

কয়েকদিন পর, শহরের এক বৃদ্ধা মহিলা জনের সাথে দেখা হলো। জন তার নৌকা জেনিকে হারিয়ে খুব একটা দুঃখ পায় নাই। এদিকে মহিলা ভেবেছে এইটা রন। রনের বউ মরায় সে নিশ্চয় কষ্টে আছে।
মহিলা বলল “আহা! কিরে ছেলে, জেনির জন্য কি কষ্ট হয় রে?”
জন বলল, তেমন একটা হয় না।
-কি বলিস ছোকরা!
-আরে বলবেন না, যেদিন থেকে জেনি আমার হলো- সেদিনই আমি টের পেলাম আসলে ওইটা একটা বেশ খারাপ মাল। তার নিচটা বেশ ময়লা- পচা মাছের গন্ধ পেতাম। যেদিন আমি প্রথম তার ওপর উঠলাম- সে ছ্যাড়ছ্যাড় করে পানি ছেড়ে দিল। আমার মনের অবস্থাটা বুঝেন! তার পিছন দিকে তাকালে পরিষ্কারভাবেই একটা খাজ দেখা যেত। আর সামনের দিকের ছিদ্রটা যত দিন যেতে লাগল ততই বড় হতে লাগছিল। তবু তাকে দিয়ে আমার কাজ চলে যাচ্ছিল। কিন্তু শহরের চার যুবক এসে তার জীবন শেষ করে দিল। এই চার বদমাশ আসছিল একটু ভালো সময় কাটানোর জন্য। শহরে ভালো কিছু না পেয়ে এরা জেনিকেই পছন্দ করে ফেলল।আমি তো জেনিকে ভাড়া দিতে রাজি না। হাজার হোক জেনি আমার। কিন্তু হারামজাদাগুলা জেনির জন্য আমাকে টাকা সাধতে শুরু করল। আমি জানি জেনির ক্ষমতা নাই একসাথে চারজনকে নেয়ার- কিন্তু ওরা টাকা দিয়ে আমাকে রাজি করিয়ে ফেলল!
একটু দীর্ঘশ্বাস ফেলে বিষণ্ণ জন বলল, ওরা চারজন একসাথে জেনির ওপর চড়ে বসতেই জেনি শেষ বারের মত পানি ছেড়ে দিয়ে টুপ করে শেষ হয়ে গেলো!!!
জনের কথা শেষ হতেই বুড়ি মাথা ঘুরে পড়ে গেলো!!!

নোংরা জোকস-৫

দুই এলিয়েন আসছে পৃথিবীতে।ধরা যাক তাদের নাম এক্স আর ইয়। দুইজন মরুভূমিতে এসে নেমেছে। চারিদিকে কিছু নাই। দুইজন হাটা শুরু করল প্রানের খোজে।
অনেকক্ষন হাটার পর তারা একটা পেট্রোল স্টেশনে এসে পৌছল। কোন একটা কারনে সেইদিন স্টেশনে কেউ নাই। নজলসহ পাইপটা মেশিনের গায়ে প্যাচিয়ে রেখে চলে গেছে। খা খা চারিদিক।
এরা দুইজন এগিয়ে এসে, তেল নেয়ার পাম্পটাকে অভিবাদন জানিয়ে বলল, পৃথিবীবাসীকে স্বাগতম।
বলাবাহুল্য, পাম্প কোন উত্তর দিলো না। এক্সের মেজাজ খারাপ হওয়া শুরু হইছে। সে আবার বলল, পৃথিবীবাসীকে শুভেচ্ছা।
উত্তর দেয় না। কথা বলিস ক্যানো? এই বলে এক্স কোমড়ে রাখা আগ্নেয়াস্ত্র বের করল। ইয় তাড়াতাড়ি এসে এক্সের হাত চেপে ধরে বলল, দোস্ত! ফায়ার করিস না।
এক্স কথা শুনবে না। সে ফায়ার করবেই। কিছুক্ষন ধ্বস্তাধ্বস্তির পর এক্স ফায়ার করে দিল।
সাথে সাথে বিরাট বিস্ফোরন। তারা দুইজন উড়ে গিয়ে পড়েছে দূরে। হাঁচড়ে- পাঁচড়ে উঠে দাড়াইছে দুইজনেই। আহত হইছে, তয় সিরিয়াস কিছু না।
এক্স হাপাইতে হাপাইতে ইয় কে জিজ্ঞেস করে, দোস্ত, তুই ফায়ার করতে মানা করছিলি, ক্যামনে বুঝলি আগে থেইক্যা?
ইয় কয়, গ্যালাক্সি ঘুইরা আমি কিছু শিখি আর না শিখি, একটা জিনিস শিখছি। যে ব্যাটা তার পুরুষাংগ নিজের শরীরে দুইবার পেচাইয়া এরপর সেইটা কানে গুজে রাখতে পারে, ওর লগে পাঙ্গা নিতে নাই! 

নোংরা জোকস-৪


বোতাম সাহেব খুবই অলস প্রকৃতির একজন মানুষ।আলসেমির জন্য তার বিয়েই করা হচ্ছিলো না। অবশেষে পরিবারের চাপাচাপিতে তাকে বিয়ে করতেই হলো- স্ত্রী ভীষণ সুন্দরী। তাদের বাসররাত শেষে বোতামের বন্ধুরা জিজ্ঞাসা করল-"কিরে, কেমন কাটলো রাত?" হাই তুলতে তুলতে উত্তর এলো-"কিছু হয়নি!" এভাবে কেতে গেলো প্রায় এক মাস।ওই একই উত্তর! ক্ষিপ্ত বন্ধুরা জিজ্ঞাসা করল-"কিরে, তোর সমস্যা কোথায়?" উত্তর এলো-"প্রতিরাতেই তো বউকে জড়িয়ে ধরে অপেক্ষায় থাকি কখন ভূমিকম্প হয়'!!

নোংরা জোকস-৩


বিদেশের এক রেস্টুরেন্ট। তিনজন বাবুর্চি সেখানে কাজ করে। একজন চাইনিজ, একজন জাপানিজ আরেকজন বাংলাদেশী। তিনজনের ভিতর খুব রেষারেষি। একদিন একটা মাছি ঢুকছে কিচেনে। সাথে সাথে চাইনিজটা একটা ছুরি নিয়া এগিয়ে গেলো। কিছুক্ষন সাইসাই করে চালালো বাতাসে। মাছিটা পরে গেলো চার টুকরা হয়ে। সে বাকি দুইজনের দিকে তাকিয়ে বলল, " এইভাবে আমরা আমাদের শত্রুদের চার টুকরা করে ফেলি।"
আরেকদিন মাছি ঢুকতেই জাপানিজটা এগিয়ে গেলো। সাইসাই করে ছুরি চালালো। মাছি আট টুকরা হয়ে গেলো। সে বাকি দুইজনের দিকে তাকিয়ে বলল, " এইভাবেই আমারা আমাদের শত্রুদের আট টুকরা করে ফেলি"
পরেরদিন মাছি ঢুকছে একটা। বাংলাদেশীটা এগিয়ে গেলো। বেচারা অনেকক্ষন ছুরি চালালো। হাপিয়ে গিয়ে এক সময় চলে এলো। বাকি দুইজন বলল
- কি তোমরা তোমাদের শত্রুদের কিছুই করো না?
-হুমমমম...তোরা বুঝোস না কিছুই।এমন কাম করছি যে অই মাছি আর কোনোদিন বাপ হইতে পারবো না! 

নোংরা জোকস-২

একটা ফোন বুথের সাথে এক ছেলে লিখে রাখছে: বিড়াল হইতে সাবধান! দুধ খাবে কিন্তু!!
এক মেয়ে সেটা দেখে উত্তর লিখেছে: বানর হইতে সাবধান! কলা খাবে কিন্তু !! 

নোংরা জোকস-১


এক ছেলে এবং তার নতুন বান্ধবী এক সন্ধ্যায় শহর থেকে একটু দূরে গাড়ী নিয়ে বেড়াতে বেড় হলো। গাড়ী কিছু দূর যাওয়ার পর একটা নির্জন জায়গা দেখে মেয়েটি চিৎকার দিয়ে গাড়ী থামাতে বলল। ছেলেটি গাড়ী থামিয়ে মেয়েটির দিকে তাকাল। মেয়েটি বলল-”আসলে তোমাকে বলা হয়নি যে আমি একজন কল গার্ল এবং আমার রেট ১০০০ টাকা।” ছেলেটি অবাক না হয়ে তার দিকে তাকাল এবং তার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে দুজন মিলন আনন্দে কিছুক্ষণ আদিম খেলায় মত্ত হলো। দৈহিক প্রশান্তির পর বান্ধবীর পেমেন্ট দিয়ে কিছুটা ক্লান্তি নিয়ে ছেলেটা একটা সিগারেট ধরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে কুন্ডলী পাকাতে লাগল। তার নির্লিপ্ততা দেখে বান্ধবী ছেলেটি কে বলল-”আমরা বসে আছি কেন? চলো ফিরে যাই।” ছেলেটি আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল-”ও তোমাকে আগে বলা হয়নি আমি একজন টেক্সী ড্রাইভার, এখান থেকে শহরে ফেরার ভাড়া হচ্ছে ১৫০০টাকা।