Pages

Search This Blog

Showing posts with label পাদ্রী জোকস. Show all posts
Showing posts with label পাদ্রী জোকস. Show all posts

পাদ্রী জোকস-৪



রবার্ট সাহেব খুব ধার্মিক মানুষ, সবসময় প্রার্থনা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন আর অবসরে পোষা তোতা পাখীদের সাথে সময় কাটান। কিন্তু তোতা পাখীগুলো ইদানিং বড্ড বাড় বেড়েছে, শুধু আজে-বাজে কাথা মুখে! তিনি ফাদারের কাছে গিয়ে বলল,'ফাদার,আমার দুইটা মেয়ে তোতা আছে,কিন্তু ওরা সবসময় বাজে আর নোংরা কথা বলে!'
ফাদার জিজ্ঞেস করলেন,'কি বলে ওরা?'
রবার্ট  বলল,'ওরা খালি বলে- ''হেই, আমরা দুই নষ্টা, চল ফুর্তি করি''।

পাদ্রী জোকস-৩

একজন ফাদার চার্চের জন্য কিছু টাকা তুলতে চান। তিনি বিশপকে জিজ্ঞেস করলেন, কিভাবে কিছু টাকা আয় করা যায় বলুন ত! চার্চে কিছু সংস্কার কাজ করা হবে। কিন্তু ফান্ডে যথেষ্ট টাকা নাই।
বিশপ বুদ্ধি দিলেন, শহরে ঘোড়ার রেস হয় প্রতি সপ্তাহে। একটা ঘোড়া কিনে সেখানে অংশ নাও।
পরের সপ্তাহেই ফাদার গেলেন ঘোড়া কিনতে। কিন্তু ঘোড়ার দাম শুনে তার চক্ষু চড়ক গাছে। বেচারা আর কিছু কিনতে না পেরে একটা গাধা কিনে নিয়ে চলে এলেন।
শহরে এসে ভাবলেন, কিনছি যখন গাধা, সেটাকেই রেসে লাগাই। কি আর এমন হবে যদি হেরে যাই।
রেসের ময়দানের সবাইকে অবাক করে দিয়ে গাধাটা ঘোড়ার রেসেই তৃতীয় হয়ে বসল। শহর জুড়ে গাধার প্রশংসা আর তার কীর্তির আলাপ হচ্ছে। পত্রিকাগুলাও পরদিন ফলাও করে খবর ছাপাল, Father'S ASS SHOWS!!!

পাদ্রী জোকস-২


গ্রীনল্যান্ডে, দুই এস্কিমো খুব সকালে এক চার্চে গিয়ে দরজা ধাক্কাতে লাগলো। এক পাদ্রি এসে দরজা খুলতেই একজন এস্কিমো প্রশ্ন করলো - আচ্ছা ফাদার, আপনাদের এখানে কি কোন বেঁটে নান কাজ করে যে কিনা তিন ফুটের মতো লম্বা?
ফাদার এদিক ওদিক মাথা নেড়ে বললেন - না হে, এরকম কোন নান এখানে কাজ করেন না।
এস্কিমোটা এবার একটু মলিন হয়ে জিজ্ঞেস করলো - আচ্ছা ফাদার, তবে কি এই এলাকার অন্য কোন চার্চে কোন বেঁটে নান কাজ করে?
ফাদার আবারো মাথা নাড়লেন - না এরকম কোন নান এ তল্লাটের কোথাও কাজ করে না।
অন্য এস্কিমোটা এবার হো হো করে হেসে উঠে মাটিতে গড়াগড়ি খেতে খেতে বলল - বলেছিলাম না ? তুই কোন নান না, রাতের আঁধারে একটা বড় পেঙ্গুইনের সাথে সেক্স করেছিস! হো হো হো হো!!!

পাদ্রী জোকস-১


জিমের অনেক বয়স হয়েছে, সবাই জানে জীবনটাকে সে ভীষণ উপভোগ করেছে-মদ, নারীতে ডুবে থেকেছে চিরটাকাল!অপরিমিত জীবনযাপনের ফলও এখন সে পাচ্ছে-জীর্ণ, শীর্ণ দেহ; অবসাদগ্রস্ত সময়; মাঝে মাঝে এখন অবশ্য সে চার্চে যায়। একদিনের ঘটনা, চার্চে জিম সবার সামনে ফাদারকে প্রশ্ন করল-
-ফাদার! আর্থেরাইটিস কিভাবে হয়?
ফাদার জিমের দিকে তাকালেন। জিমের হাত পা কাঁপছে। ফাদার ভাবলেন এই সুযোগে যুবক সম্প্রদায়কে একটা শিক্ষা দেয়া দরকার। তাই তিনি যথাযত ভাব-গাম্ভীর্য নিয়ে বলা শুরু করলেনঃ
-এটা হয় পাপীদের। যারা মদে মত্ত থাকে। নারী যাদের কাছে বিনোদন মাত্র। যুবকেরা শুনে রাখ, তোমাদের এই যৌবনে তোমরা যে পাপ করবে উদ্দাম সঙ্গমে আর মদে- সেই পাপ তোমাদের ধরবে বার্ধ্যকে এসে।
জিম শুনে মাথা নিচু করে রাখল কিছুক্ষন। এরপর বলল, Damn! Holly Shit!! আজকে পেপারে দেখলাম পোপের আর্থেরাইটিস হইছে!!!